Breaking News
Home / সকল খবর / এবার নিউজিল্যান্ডের মিডিয়ায় মুশফিকে অপমান!

এবার নিউজিল্যান্ডের মিডিয়ায় মুশফিকে অপমান!

এবার নিউজিল্যান্ডের মিডিয়ায়ঃ বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শিশুসুলভ ভুল করেন মুশফিকুর রহিম। তার এই ভুলে বেঁচে যান কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। কম পুঁজি নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ২ উইকেটে হারের পর অধিনায়ক মাশরাফি ব্যাটসম্যানদের দোষ দিলেও ক্রিকেটপ্রেমীরা একতরফাভাবে মুশফিকের দোষ দিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি এতটাই দৃষ্টিকটূ ছিল যে, বিশ্ব মিডিয়াও মুশফিকের এই কাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ পত্রিকা ‘দ্য স্টাফ’ ক্রিকেটপ্রেমীদের বক্তব্য তুলে ধরে মুশফিককে ‘বিশ্বের জঘন্যতম উইকেটকিপার’ আখ্যা দিয়েছে। ম্যাচশেষে মুশফিককে যেভাবে আগলে রাখেন অধিনায়ক মাশরাফি সে বিষয়টাও তুলে ধরেছে পত্রিকাটি। বেশ কিছু মন্তব্য তুলে ধরে তাদের ভাষ্য, ‘মুশফিক ব্যাটসম্যান হিসেবে মাস্টারক্লাস হলেও উইকেটকিপার হিসেবে জঘন্য। এমন দ্বৈত পরিচিতি নিয়ে তিনি আর কতদিন চলতে চান?’

উল্লেখ্য, বুধবারের ম্যাচে সাকিব আল হাসানের করা ওভারে রস টেইলরের আহ্বানে সিঙ্গেল নিতে ছোটেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তামিম ইকবাল দুর্দান্ত এক থ্রোয়ে বল পাঠান মুশফিকের কাছে। এখানেই শিশুসুলভ ভুল করে বসেন মুশফিক। তিনি স্টাম্পের পেছনে না থেকে সামনে এসে বল রিসিভ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এর আগেই তার হাতে লেগে স্টাম্প ভেঙে গেলে নিশ্চিত আউটের হাত থেকে বেঁচে যান উইলিয়ামস। এসময় প্রচন্ড ক্ষুব্ধ তামিমকে তেড়ে আসতে দেখা যায় মুশফিকের দিকে।

অন্ন প্রসঙ্গ, বাংলাদেশে ঈদ নিয়ে যত নাটকীয়তা হয়েছে ইংল্যান্ডে এসবের বালাই নেই। আর সব ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মতো তারাও সৌদি আরবকে অনুসরণ করে ধর্মীয় এই উৎসবটি পালন করে থাকে। ফলে আগেই জানা হয়ে গিয়েছিল ৪ জুন উদযাপিত হবে ঈদ। তবে কেমন হয় ইংল্যান্ডের ঈদ? সেই কৌতুহল মেটাতে কথা হয় বেশকিছু প্রবাসী বাংলাদেশির সাথে। এখানে ১০ বছর ধরে থাকা আসাদ বলেন সাধারণত নিজেদের মতো করে পরিবারকে সাথে নিয়েই হয় ঈদ উদযাপন। তার ভাষায়, ‘কারো ছুটি মেলে তো কারো মেলেনা। সেক্ষেত্রে সকালে ঈদের নামায পড়ে কেউ কাজে যোগদান করছেন, আবার কেউবা কাজ শেষ করে এসে পরিবারকে নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন কিংবা আত্মীয় স্বজনের সাথে দেখা করছেন। বড় জামাতটা হয় ইস্ট লন্ডন মসজিদে। এছাড়া বিভিন্ন পার্কেও অনুষ্ঠিত হয় ঈদের নামাজ।’

এছাড়া ঈদের কিছু আনুষ্ঠানিকতা তো করতেই হয়। তাই তো ঈদের সপ্তাহখানিক আগে থেকে ভিড় বাড়ে ইস্ট লন্ডনের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার দোকানগুলোতে। ঈদের আগের রাতে বড়সড় উৎসবই হয় গ্রিন স্ট্রিট, ব্রিকলেন, আপটন পার্কসহ বিভিন্ন এলাকায়।পাকিস্তানি, ভারতীয় ও অন্যান্য দেশের মুসলমানদের সাথে বাংলাদেশিরাও মেতে ওঠেন মেহেদী উৎসবসহ নানা আয়োজনে। প্রায় সব মুসলমানদের বাড়িতেই একটু বিশেষ কিছু রান্নাও হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *