Home / ধর্ম / দাড়ি পুরুষকে সুদর্শন ও ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে

দাড়ি পুরুষকে সুদর্শন ও ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে

দাড়ি পুরুষকে সুদর্শন ও ক্যান্সার থেকেঃ পুরুষকে শুধু সুদর্শনই দেখায় না, দাড়ি পুরুষদের স্বাস্থ্যবান রাখতেও সাহায্য করে, এবং কি ক্যান্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও রক্ষা করে দাড়ি । এক গবেষণায় এমনই জানা গেছে। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের।

ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর প্রফেসরের করা গবেষণায় বলা হয়েছে, মুখের দাড়ি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে। ওই গবেষণার প্রধান লেখক পারিসি ব্যাখ্যা করে বলেন, দাড়ি সানস্ক্রিনের মত ক্ষতিকর রশিম মুখের ত্বককে সুরক্ষা দেয় না কিন্ত অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। এতে করে যারা দাড়ি রাখে তাদের মুখমণ্ডল সুরক্ষায় থাকে। দাড়ি তাদের ত্বক সজীব রাখে এবং ত্বকের ভাঁজ হওয়া থেকেও বাঁচিয়ে দেয়। এছাড়া দাড়িওয়ালা ব্যক্তিদের স্কিন ক্যান্সারের মত রোগ হওয়া থেকেও অনেকটা রক্ষা করে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ড. অ্যাডাম ফ্রেডম্যান ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যের অতিবেগুনি ত্বকে বয়স্কের ছাপ ও ক্ষতির প্রাথমিক কারণ। সুতরাং আপনার মুখমণ্ডল ভারি দাড়ি দিয়ে ঢাকা থাকলে তা সেসবের হাত থেকে রক্ষা পায়। গবেষণাটি ২০১৭ সালে করা হয় বলে খবরে বলা হয়েছে।

ভিন্ন প্রসঙ্গ, কিসের দ্বীনী ফ্যামিলি আর কিসের সাধারণ ফ্যামিলি, বেশিরভাগ পরিবারগুলোতেই বাচ্চারা স্মার্টফোনে বুদ হয়ে থাকে। মোবাইল ছাড়া খাওয়া হয়না, ঘুম হয়না, কিছুই হয় না। কান্না থামাতে মোবাইল, দুষ্টুমি থামাতে মোবাইল, কথা শোনাতে মোবাইল! একদম শিশু থেকে শুরু করে যে কিনা কথাও শেখেনি সেও মোবাইল পেলে সব ঠান্ডা। একটা শিশু কালেমা ঠিকমতো বলতে না পারলেও ইউটিউবে কি কি কার্টুন/ভিডিও দেখতে হবে সেসবের নাম ঠোঁটের আগায় থাকে।

কি দেখে মোবাইলে? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কার্টুন /গান/ভিডিও এসব। যারা একটু দ্বীন মেনে চলেন তারা আবার নাশীদ/গজল, ইসলামিক ভিডিও, এসবকিছু।সাধারণ পরিবারের কথা আগে বলি, যারা শরীয়তের হুকুম আহকামের সাথে জীবনযাপন সেভাবে করে ওঠেন না। আপনার বাচ্চা হিন্দি গানের সাথে তাল মিলিয়ে কোমর ঢুলিয়ে নাচে, সেটা দেখতে আপনার খুব ভাল লাগে। অনেক ট্যালেন্ট মনে হয়। ঐ যে গানগুলো দেখছে, সেখানে নিশ্চয় নামাজ পড়ার ভিডিও দেখানো হয় না। নারী পুরুষের একে অপরের আলিঙ্গন, যৌন উত্তেজনামূলক সিন। এসব দেখে আস্তে আস্তে আপনার শিশুর মাথায় কি ঢুকছে। একটু বড় হতে হতেই তার ঐগুলি মাথায় আরও বসে যাবে ঐসব কেমন তা বাস্তবে জানতে ইচ্ছে করবে।এবং তা কোন কোন পর্যায়ে যেতে পারে তার হিসাব নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *